নিজস্ব প্রতিনিধি
দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক শামিমা খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পত্রিকাটির জন্য ৬ সদস্যের একটি অস্থায়ী এডিটোরিয়াল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ২০ জন সাংবাদিককে হঠাৎ করে চাকরিচ্যুত করার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন গঠিত বোর্ডে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)-এর একজন করে প্রতিনিধি থাকছেন। এছাড়া বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
জয়নাল আবেদীন শিশির (প্ল্যানিং এডিটর)
সাবরিনা বিনতে আহমেদ (অনলাইন অ্যাডভাইজার)
ইস্রাফিল ফরায়েজী (ডেপুটি চিফ রিপোর্টার)
মীর জসিম উদ্দিন
সাংবাদিকদের প্রতিবাদ ও কর্মবিরতি
শনিবার (২ আগস্ট) বিকেলে জনকণ্ঠের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, হঠাৎ চাকরিচ্যুতির ঘটনায় পত্রিকার সকল সংবাদ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। এতে বলা হয়,
“আগস্ট উপলক্ষে স্বৈরাচারের দোসর জনকণ্ঠ গতকাল কালো রঙ ধারণ করেছিল। তার প্রতিবাদে আমরা লাল রঙে আজ পত্রিকা প্রকাশ করি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সম্পাদক শামিমা খান আমাদের সবাইকে চাকরিচ্যুত করেছেন।”
পোস্টে আরও বলা হয়,
“এই সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জনকণ্ঠের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। কেউ যদি দায়িত্ব নিয়ে পত্রিকা প্রকাশ করেন, তবে তা সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে করবেন।”
এই ঘটনার পর থেকে জনকণ্ঠের সকল বিভাগে সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা কর্মবিরতি পালন শুরু করেছেন।
সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন:
এই ঘটনাটি দেশের সাংবাদিক সমাজে গুরুতর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে স্বাধীন মত প্রকাশ ও কর্মস্থলের নিরাপত্তা প্রশ্নে এ ঘটনাটি উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রকাশের পরামর্শ:
এই প্রতিবেদনটিকে আরও শক্তিশালী করতে আপনি সংবাদপত্রে বরখাস্ত হওয়া সাংবাদিকদের বক্তব্য, সাংবাদিক ইউনিয়নের বিবৃতি, এবং শামিমা খানের প্রতিক্রিয়া (যদি পাওয়া যায়) সংযুক্ত করতে পারেন।
প্রয়োজনে ভিডিও প্রতিবেদন বা নিউজ কার্ড বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।