আজ - |

সকালের মধ্যে ১৩ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঢাকা-১৭ আসনের পাঁচ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকার অনুদান ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার চট্টগ্রামে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি জাহাজ আবারও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের টঙ্গীতে ভয়াবহ আগুন, প্রায় ৪০ বস্তিঘর পুড়ে ছাই কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন ড. খন্দকার মোশাররফ সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ বিএসএফের গুলিতে কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে প্রিয় শিক্ষিকার অবসরে ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন কোয়েল মল্লিক পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ‘কলকাতা হামলা’ মন্তব্যে ক্ষোভ মমতার এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৮ হাজার লিটার মজুত তেল উদ্ধার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিকট বিস্ফোরণ ইরা   

সৌদিতে বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রশংসায় ভাসালেন ফুটবলার সাদিও মানে

News Probashirkotha24.com
  • আপডেট টাইম :   শনিবার | নভেম্বর ২২, ২০২৫ | ১১:২৪ পিএম
  • ৬৯৫ বার
অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপের ফুটবলের পাট চুকিয়ে সেনেগালের সুপারস্টার সাদিও মানে এখন সৌদি আরবের আল নাসর ক্লাবের অন্যতম ভরসা। ২০২৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমানোর পর সেখানকার জীবনযাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন তিনি। তবে প্রবাস জীবনে বাংলাদেশিদের আতিথেয়তা এবং মানসিকতা তাকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশিদের সঙ্গে কাটানো এক আবেগঘন মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি ডিফেন্ডার ও জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক রিও ফার্ডিনান্ডকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে মানে জানান, রমজান মাসে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে পাওয়া এক আমন্ত্রণ তার হৃদয়ে দাগ কেটেছে।

ািন

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাবেক লিভারপুল তারকা বলেন, ‘রমজান মাসের একদিন আমি রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম। হঠাৎ রাস্তার ধারে বসা কয়েকজন বাংলাদেশি আমাকে ইফতারের জন্য ডাকেন। আমি তখন মজা করে তাদের বললাম, ‘আপনারা তো আমাকে চেনেন না! আমি কীভাবে আপনাদের সঙ্গে বসব?’ কিন্তু তারা নাছোড়বান্দা, আমাকে বললেন কোনো সমস্যা নেই, তাদের সঙ্গে যোগ দিতে।’

রিও ফার্ডিনান্ড তখন কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করেন, তারা কি জানতেন যে তিনি বিশ্বখ্যাত ফুটবলার সাদিও মানে? উত্তরে মানে বলেন, ‘না, তারা জানতেন না আমি কে। তারা একজন সাধারণ মানুষ হিসেবেই আমাকে ডেকেছিলেন। তাদের এমন বড় মন, খাবার ভাগাভাগি করে নেওয়ার মানসিকতা এবং একসঙ্গে থাকার সংস্কৃতি সত্যিই আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। এখানকার মানুষজন অবিশ্বাস্য রকমের আন্তরিক।’


খেলাধুলা ক্যাটেগরির আরো সংবাদ