আজ - |

সকালের মধ্যে ১৩ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঢাকা-১৭ আসনের পাঁচ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকার অনুদান ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার চট্টগ্রামে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি জাহাজ আবারও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের টঙ্গীতে ভয়াবহ আগুন, প্রায় ৪০ বস্তিঘর পুড়ে ছাই কুমিল্লা নামেই বিভাগ চাইলেন ড. খন্দকার মোশাররফ সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ বিএসএফের গুলিতে কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে প্রিয় শিক্ষিকার অবসরে ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন কোয়েল মল্লিক পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ‘কলকাতা হামলা’ মন্তব্যে ক্ষোভ মমতার এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৮ হাজার লিটার মজুত তেল উদ্ধার ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিকট বিস্ফোরণ ইরা   

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের হয়রানি রোধে ফটোগ্রাফার বা ক্যামেরাম্যানদের বিরুদ্ধে অভিযান ১৭ ক্যামেরা জব্দ- ডিইজি আপেল মাহমুদ

News Probashirkotha24.com
  • আপডেট টাইম :   শনিবার | এপ্রিল ৫, ২০২৫ | ১২:০০ এএম
  • ১০৫৪৯ বার
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের হয়রানি রোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। সৈকতের ফটোগ্রাফার বা ক্যামেরাম্যানদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও জোরপূর্বক ছবি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) অভিযান চালিয়ে হয়রানির সাথে জড়িত ১৭ জন ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরা জব্দ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

পর্যটকদের অভিযোগ, অনেক ক্যামেরাম্যান ১০টি ছবি তোলার কথা বলে একই পোজ ও একই ছবি ১০-২০ কপি করে প্রায় ১০০-২০০ কপি করে ছবি ধারণ করে। পরে প্রতিটির জন্য ৫ টাকা করে আদায় করে। এছাড়াও, অযথা ছবি তুলে তা নিতে বাধ্য করা হয়, রাজি না হলে পর্যটকদের সাথে দুর্ব্যবহার করা হয়। এমনকি ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া কক্সবাজারে ঘুরতে আসা এক মহিলা পর্যটক অভিযোগ করেন যে, ২০-৩০ টি ছবি তোলার নামে ৬০০ ছবি তুলে ক্যামেরাম্যান দ্বারা হয়রানির শিকার হয়েছেন। 

গত কয়েকদিনে পর্যটকদের কাছ থেকে এমন একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কঠোর অবস্থানে যায়। 

এবিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জানান, পর্যটকদের হয়রানি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যেসব ক্যামেরাম্যান পর্যটকদের হয়রানি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৭ জন ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে এবং তাদের পরিচয়পত্র (কার্ড) বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যারা প্রকৃত ক্যামেরাম্যান নন এবং যাদের বৈধ কার্ড নেই, তাদের সৈকতে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।

ট্যুরিস্ট পুলিশের এই পদক্ষেপ পর্যটকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তারা আশা করছেন, এই অভিযানের ফলে সৈকতে হয়রানির মাত্রা কমবে এবং পর্যটকেরা নির্বিঘ্নে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। তবে, এই অভিযান কতটা স্থায়ী হয় এবং ভবিষ্যতে এমন হয়রানি বন্ধে ট্যুরিস্ট পুলিশ আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


চট্টগ্রাম বিভাগ ক্যাটেগরির আরো সংবাদ