আনিকা তাবাসসুমপরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের ওপর। তাই দীর্ঘমেয়াদি চিন্তাভাবনা, সততা এবং মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে তরুণরা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নেতৃত্ব দিতে পারবে। তিনি বলেন, “আমার প্রজন্মের তুলনায় যুব প্রজন্ম এই সংকট মোকাবিলায় আরও বেশি অবদান রাখতে সক্ষম।”
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পানি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইয়ুথ ফর এনডিসি এবং তাদের অংশীদাররা উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের হাতে “এনডিসি ৩.০ ফর সিওপি৩০ – স্টেকহোল্ডার রিকমেন্ডেশনস” শীর্ষক প্রস্তাবনাপত্র তুলে দেন। আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (সিওপি৩০)-এর আগে বাংলাদেশের হালনাগাদ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) প্রণয়নে এই প্রস্তাবনা সহায়ক হবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, নীতি প্রণয়নে সরকার প্রায়শই নিজস্ব প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। সমাজ থেকে আসা উদ্যোগগুলো নতুন মূল্যবোধ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। “সমাজে মূল্যবোধ রাতারাতি তৈরি হয় না, ধীরে ধীরে বিকশিত হয়,” যোগ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুথ ফর এনডিসির প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ পরাগ; ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশ মিশনের ফার্স্ট কাউন্সেলর ও টিম লিডার (গ্রিন ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট) এডউইন কোককক; জার্মান দূতাবাসের কাউন্সেলর ও প্রধান (ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন) উলরিখ ক্লেপম্যান; সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ডেপুটি হেড (ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন) নায়োকা মার্টিনেজ ব্যাকস্ট্রম; এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)-এর প্রতিনিধি।
প্রস্তাবনাপত্রে এনার্জি, কৃষি, বন ও নগরায়ণ—এই চারটি খাতভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত ১৪টি কার্যকরী সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।